Space For Rent

Space For Rent
রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৪
প্রচ্ছদ » গ্যালারি
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-08-31
মুশফিক-নাসিরের জোড়া সেঞ্চুরি
ক্রীড়া প্রতিবেদক : ওয়ানডে সিরিজের আগেও প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল আশা জাগানিয়া। বছরের শুরু থেকে বয়ে চলা ব্যাটিং গ্লানি এবার মুছে যাবে বলেই আশাবাদী হয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। অন্তত প্রস্তুতি ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ, তামিমদের ব্যাটিং তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু দুভআগ্য ওয়ানডে সিরিজে এসে সেই আত্মবিশ্বাস ব্যাট হাতে মাঠে অনুবাদ করতে সমর্থ হয়নি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এবার টেস্ট সিরিজের আগেও প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি পেল সফরকারীরা। অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম ও নাসির হোসেনের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে বড় স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ। ওয়ার্নার পার্কে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে রবিবার ১০৩.৩ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৩৭৭ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে মুশফিক বাহিনী। মুশফিক ১০৬ রানে অপরাজিত থাকলেও নাসির ১০০ রান করে আউট হন। আর এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বাগতিক সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস একাদশ প্রথম ইনিংসে ব্যাট করছিল।

রবিবার দ্বিতীয় দিনেও ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিক-নাসির ১২.৩ ওভার ব্যাট করে ৪৭ রান যোগ করেন। ৮২ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক সেঞ্চুরি তুলে নেন ১৫৯ বলে। বোটসওয়াইনের বলে মিড উইকেট দিয়ে পুল শটে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৭৮ রানে অপরাজিত থাকা নাসিরও তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেছেন। তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১৫৩ বলে। এরপর ব্যক্তিগত ১০০ রানে নাসির বোল্ড হলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।

এর আগে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে আবারও ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশের টপঅর্ডার। সেন্ট কিটস এন্ড নেভিসের নবিশ দলের বিরুদ্ধেও তামিম, ইমরুল, শামসুররা ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হন। উইকেট বিলিয়ে এসেছেন সবাই।  ৯২ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে বসেছিল বাংলাদেশ। মিডল অর্ডারে শুভাগত হোম, অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম, নাসির হোসেনের ব্যাটিং দৃঢ়তায় দিনটি শেষ পর্যন্ত বিষাদে ঢেকে যায়নি বাংলাদেশের। প্রথম দিন শেষে ৯১ ওভার ব্যাট করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৩০ রান। দলীয় ২২ রানে শামসুর বোটসওয়াইনের শিকার হয়েছিলেন ১০ রান করে। তামিম ইকবালের ৪৫ বলে ২০ রানের ইনিংসটি শেষ হয় লুইসের বলে জিল ক্লার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে। লংগার ভার্সন ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ে দেশের বড় ভরসা মুমিনুল হকও ১০ রানের বেশি যেতে পারেননি। তিনিও লুইসের বলে সাজঘরে ফিরেন। একপ্রান্ত আগলে করা ইমরুল কায়েসের প্রতিরোধও স্থায়ী হয়নি। ‘এ’ দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ইমরুল ভালোই ছন্দে ছিলেন। কিন্তু বোটসওয়াইনের বল চালাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন বেরিজের হাতে। ইমরুল ৪৪ রান করেন। মূলত এরপরই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন স্বাগতিকদের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে দিকপাল খুঁজে পেয়েছিল। পঞ্চম উইকেট জুটিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শুভাগত হোম ৪৬ রানের জুটি গড়েন। এ জুটি বিচ্ছিন্ন হয় মাহমুদউল্লাহ ২৭ রান করে আউট হলে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমের সঙ্গেও শুভাগত ৪৮ রানের জুটি গড়েন, যা বাংলাদেশকে দুইশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। ব্যক্তিগত ৪৮ রানে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউট হন তিনি। দিনের শেষ সেশনে আর উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। ষষ্ঠ উইকেটে নাসিরকে নিয়ে নির্বিঘ্নে দিন পার করে দেন মুশফিক।

(এইচআর/আগস্ট ৩১, ২০১৪)