Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » সবুজ পৃথিবী
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-02
ধ্বংসের মুখে জীববৈচিত্র্য
রূপা : বরগুনাসহ উপকূলীয় এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে কমছে জলাশয়। পানি আর ঘাস ঢেকে যাচ্ছে ইটবালুর আস্তরণে। বরগুনার আমতলীসহ উপকূলীয় এলাকার বেশির ভাগ এলাকা একসময় জলাভূমি ও নিম্নাঞ্চল ছিল।

গত এক যুগে এই জলাভূমি ও নিম্নাঞ্চলের ৯০ শতাংশ ভরাট হয়ে গেছে। জলাভূমি কমায় ইতিমধ্যে ৫৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে, ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। জলাভূমিগুলোও এই দখল থেকে বাদ যাচ্ছে না। শহরের আশপাশ থেকে কৃষিজমি ও জলাভূমি ক্রমশ ধ্বংস হওয়ায় পরিবেশ বিপর্যয় হচ্ছে। ফলে খাদ্যশস্য ও মত্স্য সম্পদের উত্পাদন কমছে। বৃদ্ধি পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার কোনো পথ থাকছে না।

বিশেষজ্ঞরা জানান, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় জলাভূমিগুলো ভরাট হচ্ছে। সংবিধানে দেশে কৃষিজমি, বসতবাড়ি, বনভূমি আর পতিত জমি ছাড়া কোনো জলাভূমির উল্লেখ  নেই। ফলে জলাভূমি নিয়ে কোনো জটিলতা দেখা দিলেও আইনি সহায়তা জোটে না। প্রভাবশালী দখলদারা জলাভূমি ভরাট করে ফেললেও খোদ সরকারি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে না।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, কয়েক দশক জুড়ে জলাভূমি ভরাট করে দেশের সামগ্রিক ইকো সিস্টেমের ওপরও বিরূপ প্রভাব তৈরি করা হয়েছে। অতিমাত্রায় কৃষি জমি আবাদের লক্ষ্য থেকেই জলাভূমির ওপর চাপ বাড়ছে। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ  করা হয়েছে, খাল-বিল-ঝিল গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালীরা। এমনকি নদীও রেহাই পাচ্ছে না তাদের হাত থেকে।
 
(একে/সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৪)