Space For Rent

Space For Rent
রবিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » জাতীয়
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-07
ভিক্ষুকের সংখ্যা জানা নেই মন্ত্রণালয়ের
সংসদ প্রতিবেদক : ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভর করে দেশের কতজন মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে, সে বিষয়ে আপাতত কোনো পরিসংখান নেই বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী।

রবিবার সংসদে দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীকে ভিক্ষুকমুক্তকরণ এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিতদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ২০১০ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তক ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১১ সালে ঢাকা সিটির ১০টি জোনে জরিপ চালিয়ে ১০ ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত ১০ হাজার জনের আর্থসামাজিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে পাইলট পর্যায়ে ময়মনসিংহ জেলায় ৩৭ জন ও জামালপুর জেলায় ২৯ জনকে রিকশা, ভ্যান ও ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা পুঁজি হিসেবে মূলধন প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়। তারা ভিক্ষাবৃত্তি পরিহার করেছেন।

সুকুমার রঞ্জন ঘোষের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার (সরকারি এতিমখানা) ৫ হাজার ৪৫০ জন ছেলে ও ৪ হাজার ৮৫০ জন মেয়ের অনুমোদিত আসন রয়েছে। এসব এতিম ছেলে মেয়ের বেশির ভাগই মুসলমান। এছাড়াও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতীয় এতিম ছেলেমেয়ে রয়েছে।

ছানোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে  মহসিন আলী জানান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ২০১৪-১৫ অর্থ বছওে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগির সংখ্যা ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬০০  জন হতে ৪ লাখে এবং জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ১৯৯৯ হতে ২০০১ সাল পর্যন্ত দেশের তত্কালীন ছয়টি বিভাগে ছয়টি শান্তি নিবাস (বৃদ্ধাশ্রম) চালু করা হয়। পরবর্তী সময়ে এগুলোকে সেফহোমে রূপান্তর করা হয়। বর্তমানে সেফহোমের পাশাপাশি আরও ছয়টি শান্তিনিবাস পুনরায় চালু করার অনুমোদন পাওয়া গেছে। জনবল নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাবে এগুলো সীমিত আকারে পরিচালিত হচ্ছে।

(সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৪)