Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-09
মহাপরিকল্পনায় তেজগাঁও
বর্তমান প্রতিবেদক
সমন্বিত মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকাকে একই সঙ্গে শিল্প, বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তেজগাঁও শিল্প এলাকার প্রধান সড়কগুলোসহ সমগ্র তেজগাঁও শিল্প এলাকাকে শিল্প কাম বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা হিসেবে রূপান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, তেজগাঁওকে শিল্প কাম বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় রূপান্তরের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে একটি বিস্তারিত ও সমন্বিত মাস্টার প্লান প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রণয়নের পর গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি মাস্টার প্লানটি পর্যালোচনা করবে। এর পরই এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, শিল্প এলাকা হলেও ভারী ও শ্রমঘন শিল্প তেজগাঁওয়ে থাকবে না। কোন ধরনের বাণিজ্যিক ও আবাসিক হবে, ভূমি জোনিং (অঞ্চলিকরণ), ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েই মহাপরিকল্পনাটি প্রণয়ন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রূপান্তরের কাজটি অবশ্যই পরিকল্পিতভাবে করতে হবে। তা না হলে সুফল পাওয়া যাবে না।’ মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘গত ১৯৫০-এর দশকে ৫০০ একর ২০ শতাংশ জমি নিয়ে তেজগাঁও শিল্প এলাকা প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার পর ঢাকা শহর সম্প্র্রসারিত হয়েছে। তেজগাঁও এখন ঢাকা শহরের মাঝখানে চলে এসেছে। তেজগাঁওয়ে প্লট ও উপ-প্লটের সংখ্যা ৪৩০টি। এখানে এখন ভারী শিল্প খুব একটা নেই।’
মোশাররাফ হোসাইন বলেন, ১৯৯৮ সালে তেজগাঁও-গুলশান সংযোগ সড়কের পার্শ্ববর্তী প্লট বাণিজ্যিক প্লটে রূপান্তর করা হয়। পরে পুরো তেজগাঁওকে বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় রূপান্তরের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করে। এ জন্য তারা স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতিকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে। পরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে। প্রত্যেক কমিটিই রূপান্তর ফি বর্তমান বাজার মূল্যের সঙ্গে সমন্বয়ের সুপারিশ করেছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ-ফিলিপাইনের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি: মন্ত্রিসভা বৈঠকে ফিলিপাইনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা ভিসা ছাড়াই উভয় দেশ ৩০ দিন ভ্রমণ করতে পারবেন। বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে ১২টি দেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি রয়েছে। আরও ১৯টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করার আলোচনা চলছে। এদিকে মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২৬ জুন উদ্যাপিত মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসকে ‘গ’ শ্রেণি থেকে ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীতকরণের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ক, খ, গ ও ঘ এই চার ক্যাটাগরির দিবস রয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, জাতীয় শোক দিবস, দুই ঈদ, ঈদে মিলাদুন্নবী, বাংলা নববর্ষ, দুর্গাপূজা, মে দিবস, রবীন্দ্রজয়ন্তী ও নজরুলজয়ন্তী ‘ক’ ক্যাটাগরির দিবস।