Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-09
‘ব্রিকস’ হতে পারে তৈরি পোশাকের নয়া গন্তব্য
আহমেদ তোফায়েল
পোশাক খাতের সম্প্রসারিত বাজার ধরার লক্ষ্যে নতুন গঠন হওয়া বিশেষ আন্তর্জাতিক ব্যাংক ‘ব্রিকস’-এর আওতাধীন উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর দিকে নজর দিচ্ছে বাংলাদেশ। রপ্তানির সমূহ সম্ভাবনা থাকায় পোশাক রপ্তানিকারকরা এই গ্রুপের পাঁচটি দেশের কথা বিবেচনা করছে। ব্রিকসভুক্ত দেশসমূহ হচ্ছে— ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।
জানা গেছে, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংগঠনের (বিজিএমইএ) সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রতি বছর ব্রিকস দেশগুলোর পোশাক আমদানি বাড়ছে। এর কারণ হচ্ছে সেসব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে পোশাক তৈরির খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়া। তিনি মনে করেন অন্য দেশের বাজার কিছুটা ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার উদীয়মান বাজার সহজেই ধরতে পারে।
বিজিএমইএর মতে, প্রথাগত বাজারের বাইরে বা নতুন বাজারে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৬০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির ১৪ দশমিক ৭১ শতাংশ।  
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ ভারত এবং চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। কিন্তু রাশিয়া ও ব্রাজিলে উচ্চ শুল্কের কারণে রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিওতে রাশিয়া যোগ দিয়েছে ২০১১ সালে। এলডিসি বা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ রাশিয়ার কাছ থেকে শুল্ক সুবিধা নিতে পারে। আর সুবিধা নেয়ার জন্য সরকারের যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে।
চিঠিতে তিনি আরও লিখেছেন, চীন ও ভারতে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। স্থলবন্দরে পণ্য খালাস ও অবকাঠামোগত অসুবিধা, পরীক্ষাগারের স্বীকৃতির সীমাবদ্ধতা, ভিসা অনুমোদনের ক্ষেত্রে অসহযোগিতা এবং কিছু শুল্কমুক্ত ও কতিপয় শুল্ক সংক্রান্ত বাধা অন্যতম।
পোশাক রপ্তানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের চাহিদা প্রথাগত এবং অপ্রথাগত উভয় বাজারে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তবে ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রপ্তানি বাড়াতে অবকাঠামোগত সহায়তা খুব জরুরি বলে মনে করেন তারা।
বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, ভারত এবং চীনে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। চীনে ৩৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজার রয়েছে। যদি মাত্র ৫ শতাংশ বাজার ধরা যায় তা হলে রফতানি ১৮ বিলিয়ন ডলারের ছাড়িয়ে যাবে।