Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » উপ-সম্পাদকীয়
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-09
এমন খবর হেলাফেলার নয়!
মীর আব্দুল আলীম
দুটি খবর— একটি ‘আমেরিকার টাকায় সরকার উত্খাত’, অন্যটি ‘আল কায়েদার নজর বাংলাদেশের ওপর’। এমন সংবাদে প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশ কি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কবলে? নাকি দেশকে গভীর সঙ্কটে ফেলতে নতুন কোনো বিদেশি ষড়যন্ত্রের ডালপালা ছড়াচ্ছে? দুটি খবরে দেশে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বিশিষ্টজনদের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা বাড়ছে। সরকারের মন্ত্রীরা বলেছেন, খবরগুলোর সত্য-মিথ্যা যাচাই করা হচ্ছে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, দুটি খবরের কোনোটাই ‘হাওয়ায় উড়িয়ে’ দেয়া সমীচীন নয়। দুটো সংবাদই উস্কানিমূলক হতে পারে। তবু এ ধরনের রিপোর্টকে হালকাভাবে নেয়া মোটেও ঠিক হবে না। সত্য-মিথ্যা যাই হোক, সরকারের উচিত নীতিনির্ধারকদের ধীরস্থিরভাবে চিন্তাভাবনা করে এ বিষয়ে অগ্রসর হওয়া।
জাওয়াহিরির ভিডিওবার্তাটি ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বৈকি! আল কায়েদাপ্রধানের এই ঘোষণাকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের বিশিষ্টজনরা। এই হুমকির প্রধান টার্গেট হবেন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে সরকার কোনো কারণেই বিচলিত হোক এটি আমাদের কাম্য নয়। তবে বিষয়টি একেবারে হেলাফেলা করারও কোনো জো নেই। কারণ আল কায়েদাকে এদেশে ঘাঁটি গড়ে তুলতে সহযোগিতা করার মতো স্বার্থবাদী লোকের কোনো অভাব নেই। সুতরাং কোনোরকম বিচলিত না হয়েও সার্বিক পরিস্থিতি গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা এবং প্রয়োজনে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার মতো সক্ষমতা প্রদর্শনের প্রস্তুতি থাকা জরুরি।
শেখ হাসিনা বহুবার মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন। ২০০৪ সালের  ২১ আগস্টেও জাতির জনকের কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণ কেড়ে নিতে চেয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি সে যাত্রায় বেঁচে যান। এরপর বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। তবু তিনি সাহসের সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন। গণতন্ত্রকে রক্ষা, জঙ্গিবাদকে নির্মূল ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার নৃেতত্বের বিকল্প নেই। এজন্যই হামলাকারীরা তার নেতৃত্বকে ধ্বংস করার জন্য বারবার আঘাত করেছে। এখনও তিনি নিরাপদ নন। শুধু তাকেই তারা বারবার টার্গেট করে। শেখ হাসিনাকে এত আঘাত করেও কেউ তার অবস্থান থেকে একবিন্দুও সরাতে পারেনি। মৃত্যুভয়ে তিনি পিছিয়ে যাননি। তবে  আওয়ামী লীগের কর্মীদের মনে রাখতে হবে, শেখ হাসিনার জীবনই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রকারীদের শুধু নয়, এদের প্রত্যক্ষ পরোক্ষ মদদদাতাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। তা না পারলে তার জীবনের নিরাপত্তার প্রশ্নটি থেকেই যায়। ঘাতকরা এখনও শেখ হাসিনার দিকে বন্দুক তাক করে আছে। এদের সমূলে উত্পাটনের এখনই সময়।
দক্ষিণ এশিয়ার দিকে আল কায়েদার নজর বহু আগে থেকেই পড়েছে। সম্প্রতি তারা বাংলাদেশ তো বটেই; সেই সঙ্গে ভারত, মায়ানমারেও শাখা খোলার কথা ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি জাওয়াহিরি আল কায়েদার ভারতীয় শাখা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এটা বাংলাদেশ, মায়ানমার, আসাম, গুজরাট, আহমেদাবাদ ও কাশ্মীরের মুসলমানদের জন্য আনন্দের খবর’। আল কায়েদার নতুন এই শাখা নাকি এ অঞ্চলের মুসলমানদের ‘অবিচার ও আগ্রাসন’ থেকে উদ্ধার করবে। তবে তার এ বার্তা আসল না নকল তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা চলছে। ভারতীয় উপমহাদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদার শাখা খোলার আয়মান আল জাওয়াহিরির ঘোষণাকে বাংলাদেশের সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আল কায়েদার এ ঘোষণা মোটেও অপ্রত্যাশিত নয়। কারণ আল কায়েদা ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছে না। সুতরাং আন্তর্জাতিক ইসলামী জঙ্গিবাদের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখা আল কায়েদার জন্য এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা নতুন নতুন এলাকা শাখা খুলে তাদের আওতা বৃদ্ধি করতে চাইছে।
এ কথা সত্য যে, আল কায়েদার স্বপ্নপূরণের উর্বরভূমি বাংলাদেশ নয়। বাংলাদেশ সমতল ভূমির দেশ। এ দেশের কোনো স্থানে হাজার হাজার মাইল পাহাড় কিংবা জঙ্গল নেই। ফলে আল কায়েদা বাংলাদেশের ভূমিতে আস্তানা গাড়ার সুযোগ পাবে না। এছাড়া এ দেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। ভারতীয় শাখা গড়ে বাংলাদেশে কাজ করার যে ঘোষণা আল কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরি দিয়েছেন, তা এ দেশে বাস্তবায়ন করতে পারবে না বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও রাজনীতিবিদরা। একটি বিশেষ বাহিনীর এক পদস্থ কর্মকর্তা জানান, বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর একটি গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ও ভারত সরকারকে চাপে রাখতে আল কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরিকে দিয়ে এ ভিডিওবার্তাটি প্রকাশ করেছে। তারা ইতিমধ্যে আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়ায় আল কায়েদাকে সামনে রেখে নিজেদের স্বার্থ আদায়ের অপচেষ্টা করেছে। তাই আল কায়েদার ভিডিওবার্তায় শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে এটি গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করা সঙ্গত।
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের কারণেই বর্তমান সময়ে বিশ্ববাসীর অন্তর থেকে সব ধরনের প্রশান্তি উবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত নাশকতাসহ জঙ্গি তত্পরতার নানা খবর এবং একই সঙ্গে জঙ্গি দমনে বিশ্লেষণধর্মী বিভিন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হচ্ছে। লক্ষণীয় বিষয় যে, বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানরা যখন সম্মিলিতভাবে জঙ্গি দমন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধ, ঠিক তখনই বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে শাখা স্থাপনের ঘোষণা দিলেন বিশ্বব্যাপী ত্রাস সৃষ্টিকারী জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদাপ্রধান আইমান আল জাওয়াহিরি। ইসলামী আইনের প্রসার ও জিহাদের পতাকা সমুন্নত রাখতে সংগঠন প্রধান ভিডিওবার্তায় শাখা চালুর ঘোষণা দেন, যা সম্প্রতি আমাদের গণমাধ্যমগুলোয় প্রকাশিত হয়েছে। আল কায়েদাপ্রধানের এ ঘোষণা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। এ ঘোষণা বাংলাদেশের জন্য বিপদসংকেতও বটে। ফলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করা সঙ্গত।
সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ কক্ষে এ বিষয়ে এক আলোচনায় আমার শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন বলেন, জঙ্গিবাদের হুমকি নতুন নয়। এটি বিএনপি-জামায়াত জোটের আমল থেকেই শুরু। এখন বিএনপি-জামায়াত দুরবস্থায় আছে দেখে তাদের শক্তিবৃদ্ধি করতে এ ধরনের হুমকি আসছে। জামায়াতের আল কায়েদার সঙ্গে যোগাযোগ আছে অভিযোগ করে মুনতাসীর মামুন বলেন, তারা নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে চাচ্ছে। জামায়াতকে শক্তিশালী করে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতেই তাদের এই হুমকি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি এক অডিওবার্তায় বাংলাদেশে জিহাদের ডাক দেন জাওয়াহিরি। বাংলাদেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওই ভিডিওবার্তায় ‘ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান। আল কায়েদা নামক সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবেই পরিচিত। এর নেতৃত্বে থাকা নেতা এবং অন্য কর্মীদের কথা, আচরণ এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এই বক্তব্যের পক্ষে জোরাল প্রমাণ। বিশ্বব্যাপী ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা এই দলটির মূল উদ্দেশ্য— এমনটি বলা হলেও তাদের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ইতিমধ্যে তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী ও আগ্রাসনমূলক আক্রমণ চালিয়েছে। এতে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানিই শুধু ঘটেনি; একই সঙ্গে সম্পদের অনিষ্ট ঘটেছে। ইসলাম ধর্মের মতো একটি শান্তিপূর্ণ ধর্মকেও তারা বিতর্কিত করে তুলেছে। দলটির নেতা ওসামা বিন লাদেন পশ্চিমা বিশ্বের মোড়লদের হাতে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করলে দলটি কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। তবে সময়ের ব্যবধানে এখন অনেকটাই আবার গুছিয়ে উঠেছে এবং সম্প্রতি আল কায়েদা নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরি একটি ভিডিওবার্তায় তাদের ক্ষমতার ব্যাপ্তি আরো ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে নতুন নতুন দেশে শাখা গঠনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। যে দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে।
আল কায়েদা ও তালেবান বিভিন্ন দেশে উত্থানের পিছনে একটি শক্তিশালী দেশের গোয়েন্দা ও বিশেষ একটি মুসলিম দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। আল কায়েদাপ্রধানের এই ঘোষণা উদ্বেগজনক। জঙ্গিদের কোনো সীমানা নেই, কোনো অঞ্চল নেই। তাদের প্রতিরোধে আওয়ামী লীগ-বিএনপি তথা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একসঙ্গে অভিন্ন মতাদর্শে কাজ করতে হবে। বিএনপি সরকার আমলেই জঙ্গির উত্থান হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে তাদের বিচার সম্পন্ন হয়েছে। হঠাত্ করে বাংলাদেশকে নিয়ে আল কায়েদার ঘোষণা কাদা ছোড়াছুড়ি না করে সুশীল সমাজ, রাজনীতিবিদ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।
এই ভিডিওবার্তার আগেও ১৯৯৮ সালে আল কায়েদার নেতা আল জাওয়াহিরি ওসামা বিন লাদেনের বার্তা নিয়ে ভারত সফর করেন এবং বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলে আল কায়েদার সমন্বিত কার্যক্রমের ঘোষণার কথা শোনা যায় ‘আল্টিমেট জিহাদ’ প্রামাণ্যচিত্রের তথ্য অনুযায়ী। যশোরে উদীচীর সম্মেলনে বোমা হামলা, বানিয়াচংয়ের গির্জায় বোমা হামলা, কোটালীপাড়ায় তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলে ১৭ কেজি ওজনের বোমা পেতে রাখার ঘটনা এবং রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। একই বছরে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট বেঁধে বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে বোমা হামলা ব্যাপক আকার ধারণ করে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযান কঠোরভাবে পরিচালিত হতে থাকলে ভেঙে যায় অনেক জঙ্গি সংগঠনের নেটওয়ার্ক। তবে ত্রিশালে তিন দুর্ধর্ষ জেএমবি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়াসহ জঙ্গিদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে গোয়েন্দাদের ধারণা, উগ্রবাদী সংগঠনগুলো আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।
‘আমেরিকার টাকায় সরকার উত্খাত’ এবং ‘আল কায়দার শাখা’ স্থাপনের ঘোষণায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা দেখা দিয়েছে। খবর দুটি মিডিয়ায় প্রকাশের পর সর্বত্র এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারকে সরিয়ে দিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ‘চেষ্টার’ খবর অস্বীকার করেছে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। দূতাবাসের মুখপাত্র মনিকা শাই বলেছেন, ওই খবরের কোনো সত্যতা নেই। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দৃঢ় বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। উগ্র মৌলবাদ প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্পর্কের উন্নয়নের পাশাপাশি, শ্রম পরিবেশের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার মতো বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
চলতি বছরে কয়েক দফায় হবিগঞ্জের সাতছড়ির গহীন অরণ্য থেকে মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে বিষয়টিও দৃষ্টি দেয়ার মতো। কয়েকদিন আগেও সেখানে ভারি অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জঙ্গিসম্পৃক্ততা রয়েছে কি না এমন প্রশ্নও উঠেছিল। আল কায়েদাপ্রধানের এ বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে সে আশঙ্কা পুনরায় উঁকি দেয়াও অমূলক নয়।
আল কায়দার ঘোষণার বিষয়টি কোনো বিবেচনাতেই উপেক্ষাযোগ্য নয়। এ মুহূর্তে প্রধান কাজ হলো, ভিডিওবার্তাটির সত্যতা ও সঠিকতা নিরূপণ করা এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

লেখক: কলামিস্ট ও গবেষক
[email protected]