Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » গ্যালারি
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-09
দ্রুততম মানব-মানবী মেজবাহ-শিরিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক : টানা তৃতীয়বারের মতো দ্রুততম মানব হয়েছেন নৌবাহিনীর মেজবাহউদ্দিন আহমেদ। এদিকে দ্রুততম মানবী হয়েছেন একই দলের শিরিন আক্তার। সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শেষ হয়েছে দুই দিনব্যাপী জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা।

দ্রুততম মানব হতে মেজবাহ সময় নিয়েছেন ১০.৪৩ সেকেন্ড সময়। ১০.৮৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে একই দলের ইমরান এবং ১০.৮৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেনাবাহিনীর শরিফুল হয়েছেন তৃতীয়। টানা তৃতীয়বার দ্রুততম মানব হতে গিয়ে মেবজাহ তার টাইমিংয়ের অনেক উন্নতি করেছেন। গত বছর বাংলাদেশ গেমসে ১০.৭৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম দ্রততম মানব হয়েছিলেন। এ বছর জাতীয় অ্যাথলেটিকসে দ্রুততম মানব হতে সময় নিয়েছিলেন ১০.৫০ সেকেন্ড সময়। কিন্তু এবার দ্রুততম মানব হওয়া নিয়ে নিজেই শঙ্কায় ছিলেন মেজবাহ। এর কারণ আগের দিন ২০০ মিটারে ইনজুরিতে পড়া। ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করার পর তিনি পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছিলেন। হয়েছিলেন দ্বিতীয়। দ্রুততম মানব হওয়ার পর  তিনি বলেন, ‘ইনজুরির  কারণে ১০০ মিটারে প্রথম হওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিলাম হয়তো পারব  না। কিন্তু আল্লাহ সহায় ছিলেন। তাই পেরেছি।’ তবে এ রকম সাফল্যের পরও মেজবাহ কিন্তু নিজের টাইমিং নিয়ে খুশি নন। তিনি তার টাইমিংকে আরও কমিয়ে আনতে চান। এ জন্য নৌবাহিনীর প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আর্মি স্টেডিয়ামে নিয়মিত অনুশীলন করার সুবিধা চেয়েছেন। মেজবাহর এই কৃতিত্ব গ্যালারিতে বসে দেখেছেন তার মা শাহীনা বেগম। ছেলের এ রকম সাফল্যে তিনি বেজায় খুশি।  তিনি বলেন, ‘টানা তিনবার দ্রুততম মানব হওয়ার স্বপ্ন ছিল মেজবাহর। তা দেখতেই আমি ঢাকায় এসেছিলাম। সে আশা ওর পূর্ণ হওয়াতে আমি খুবই খুশি। দোয়া করি সে যেন আরও বড় অ্যাথলেট হয়।’

জাতীয় অ্যাথলেটিকসে দ্রুততম মানবী হওয়ার পর শিরিন এবার দ্রুততম মানবী হতে সময় নেন ১২.২৪ সেকেন্ড। যা তার আগের টাইমিংয়ের চেয়ে .৪০ সেকেন্ড সময় বেশি। আগের দিন ২০০ মিটারে তিনি চুমকিকে পেছনে ফেলেছিলেন। এবার ১০০ মিটারে চুমকি ফলস স্টার্টের কারণে প্রথমেই বাদ পড়ে যান। যে কারণে শিরিনের সামনে আর কোনো বাঁধা ছিল না। কিন্তু তিনি এভাবে প্রথম হতে পেরে মোটেই খুশি নন। তিনি বলেন, ‘চুমকি আপু ফলস স্টার্টের কারণে বাদ পড়ায় আমি খুশি হতে পারিনি। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে ভালো লাগত।’

(এইচআর/সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৪)