Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » বাণিজ্যে বসতি
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-09
ইসলামী বিনিয়োগ বন্ডে ঋণ নেবে সরকার
বর্তমান প্রতিবেদক : ইসলামী বিনিয়োগ বন্ডের মাধ্যমে সরকার ঋণ নিতে পারবে। ফলে প্রচলিত ব্যাংকের ওপর সরকারের ঋণের চাপ কমবে। ৪ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সঞ্চয় ও পরিকল্পনা শাখা কর্তৃক সংশোধিত এ নীতিমালা সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশ সরকার ইসলামী বিনিয়োগ বন্ড (ইসলামী বন্ড) নীতিমালা ২০০৪ (সংশোধিত-২০১৪)’ নামে এটিকে অভিহিত করা হবে।
সংশোধিত এ নীতিমালা অনুসারে ইসলামী ব্যাংকগুলো অর্থসঙ্কটে পড়লে বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা অন্য কোনো ইসলামী ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ বন্ড বন্ধক রেখে ঋণ নিতে পারবে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ইসলামী বন্ড বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণের আবশ্যকতা বা স্ট্যাটিউটরি লিকুইডিটি রিকয়ারমেন্ট (এসএলআর) পূরণযোগ্য সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট বিনিয়োগের ওপর এ তহবিল সংরক্ষণ করতে হয়। এছাড়া শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ বন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে রেপো করতে পারবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, ইসলামী ব্যাংকগুলো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে মুনাফাভিত্তিক ইসলামী বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো সংবিধিবদ্ধ তারল্যের হার (এসএলআর) প্রদান করতে পারবে। সব ধরনের ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মালিক সরকার, তাই এ বন্ডের মাধ্যমে সরকার ঋণও নিতে পারবে। পাশাপাশি কোনো ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এ বন্ডটি বন্ধক রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত ইসলামী তহবিল থেকে ধার নিতে (রেপো) পারবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, তিন মাস মেয়াদি বন্ডের মুনাফা হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের তিন মাস মেয়াদি আমানতের ঘোষিত মুনাফার হারের সমান। আর ছয় মাস মেয়াদি বন্ডের মুনাফা হবে ছয় মাস মেয়াদি স্থায়ী আমানতের ঘোষিত মুনাফার হারের সমান। ইসলামী বন্ড তহবিল থেকে গৃহীত অর্থের বিপরীতে সাময়িকভাবে প্রদত্ত মুনাফা চলতি পঞ্জিকা বছর (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) অনুযায়ী ঘোষিত চূড়ান্ত মুনাফার হার অনুসারে সমন্বয় করা হবে। যেসব প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং শাখা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাসিক ভিত্তিতে মুনাফা চূড়ান্ত করে, তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মাসের ঘোষিত মুনাফার হারই বিবেচনাযোগ্য হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত ও বিকৃত বন্ড প্রসঙ্গে নীতিমালায় বলা হয়েছে, যদি কোনো বন্ড ক্ষতিগ্রস্ত, বিকৃত, বিনষ্ট, হারানো বা চুরি হয়, তবে বাংলাদশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম ও পদ্ধতিগুলো পরিপালন সাপেক্ষে ইস্যুকারী অফিস মূল বন্ডে সন্নিবেশিত একই নম্বর, তারিখ এবং অন্যান্য বিবরণ উল্লেখ করে অনুলিপি বন্ড ইস্যু করতে পারবে।
(এইচআর/সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৪)