Space For Rent

Space For Rent
মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
প্রচ্ছদ » গ্যালারি
  দেখেছেন :   আপলোড তারিখ : 2014-09-09
সাঈদ আজমল নিষিদ্ধ
ক্রীড়া ডেস্ক : এমনিতেই পাকিস্তানের ক্রিকেটের ওপর দিয়ে ঝড় বইছে। বোমা হামলার কারণে সেই ২০০৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ হয়ে আছ দেশে। খেলছে তারা পরবাসী ক্রিকেট। সেখানে সাফল্য-ব্যর্থতার দোলাচলে এগিয়ে চলছে তাদের ক্রিকেট। কিন্তু আবারও সেই ক্রিকেটে এসেছে ধাক্কা। এবারের ধাক্কা অন্য রকম। উত্থান-পতনের পাকিস্তানের ক্রিকেটের সময়ের সবচেয়ে সেরা বোলার অফস্পিনার সাঈদ আজমলকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটেই বোলিং করার ক্ষেত্রে আইসিসি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা জারি করার কারণ তার ত্রুটপূির্ণ বোলিং পদ্ধতি। আইসিসি তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘একটি স্বতন্ত্র বিশ্লেষণে প্রমাণিত হয়েছে সাঈদ আজমলের বোলিং  পদ্ধতিতে ত্রুটিপূর্ণ। তাই আইসিসি তার বোলিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।’ আইসিসিরি এই সিদ্ধান্ত দ্রুতই কার্যকর হবে।
গত মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে সাঈদ আজমলের বোলিং ত্রুটি ধরা পড়ে। তারপর তিনি আইসিসির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের কাছে যান। কিন্তু আজমলের মন্দ কপাল বায়ো   মেকানিক্যাল বিশেষজ্ঞরা তার বোলিং পদ্ধতিতে ত্রুটি খুঁজে পান।  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাঈদ আজমলের বোলিংয়ের সেই ত্রুটির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, ‘সাধারণত বোলিং করার সময় সাঈদ আজমল নির্ধারিত ১৫ ডিগ্রির চেয়ে বেশি তিনি করেছেন, যা আইসিসিরি নীতিমালার পরিপন্থী।’
সাঈদ আজমল নিষিদ্ধ হলেও তার ফিরে আসার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। তিনি আপিল করতে পারবেন। ইতিমধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে তারা আপিল করবে। তার হয়ে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড আপিল করতে পারবে। এদিকে একদিনের ক্রিকেটে র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর বোলার সাঈদ আজমল জানিয়েছেন, তিনি ত্রুটিমুক্ত হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘আমি খুবই পজিটিভ। এটি নিয়ে মোটেই চিন্তিত নই। বিশ্বকাপের আগেই আমি ফিরে আসব।’ তিনি অপেক্ষায় আছেন মেডিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। সেখানে কোনো ত্রুটি থাকবে না বলে তিনি শতভাগ আশাবাদী। সাঈদ আজমল এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এ রকম নিষিদ্ধ হলেন। ২০০৯ সালেও তার বোলিং নিয়ে প্রশ্ন  উঠেছিল।  পরে  খুবই অল্প সময়ের মাঝে তিনি আবার ফিরে এসেছিলেন।
বর্তমানে পাকিস্তানের হয়ে ৩৫ টেস্টে ১৭৮, ১১১ ওডিআই খেলে ১৮৩ ও ৬৩ টি২০ ম্যাচ খেলে ৮৫ উইকেট পেয়েছেন।  ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত টেস্ট, ওডিআই ও টি-২০ মিলে মোট ১২১ ম্যাচ খেলে সর্বাধিক ২৮৪টি উইকেটের মালিক এই অফস্পিনার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডেইল স্টেইন ৭৯ ম্যাচ খেলে পেয়েছেন ২২৫ উইকেট।  
গত মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে তার বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি খুঁজে পেয়েছিলেন আম্পায়ার ইয়াান গোল্ড ও ব্রুস অক্সেনফোর্ড। ৩৫ টেস্ট খেলে ১৭৮টি উইকেট নিজের করে নেয়া আজমলকে পাকিস্তান দলের বোলিংয়ের প্রধানতম অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার বোলিং নিষিদ্ধ হওয়াটা পাকিস্তান ক্রিকেট দলের জন্য এক বিরাট আঘাত।
(এইচআর/সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৪)