কাশবনের খোঁজে...
Published : Wednesday, 20 September, 2017 at 8:52 PM, Count : 486
কাশবনের খোঁজে...কাশবনেরও রয়েছে অন্যরকম এক অভূতপূর্ব সৌন্দর্য। যে সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে ব্যস্ত নগরী ঢাকার অনেকেই ছুটে যান নানা জায়গায়। প্রকৃতির সঙ্গে অপার মিতালীতে কাশবন শুধু বিনোদনই দেয় না, হয়তো আরও অনেক কিছুই দেয়। ফলে কাশবনের একটুখানি ছোঁয়া নিতে অনেকেই কাশবানের প্রান্তরে ঘুরে বেড়ান। সে কারণে আজ হাওয়াবদলের বিশেষ ফিচার রইল কাশবন নিয়ে। কাশবনের খোঁজ-খবর নিয়ে লিখেছেন- অনিন্দ্য তাওহীদ
শ্রাবনের বৃষ্টিতে ভিজে এখন কাশবন তার সাদা ফুলের মাধুরী ছড়িয়েছে দেশের নানা প্রান্তে। তবে এখন ভাদ্রে এসে তা আরও অপরূপ সৌন্দর্যে পাখনা মেলেছে। হালকা বাতাসে বা ঝড়ো বাতাসে সেই কাশফুলের নাচনি দেখলে যে কারো মন রাঙিয়ে উঠবে। স্বভাবত, ভাদ্রের শেষে এসে এখনও যারা এ দৃশ্য অবলোকন করেননি তাদের জন্য রইল ঢাকার দক্ষিন-পূর্বে মুগদা-মান্ডার শেষ প্রান্তের গ্রিন মডেল টাউন, আমুলিয়া বা শেখের জায়গা কিংবা স্টাফ কোয়াটার। উত্তরে উত্তরার দিয়াবাড়ি, বারিধারার ৩০০ ফিট সড়ক, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, খিলক্ষেতের স্বদেশ প্রপার্টিজ, কাপোতাক্ষ গ্রিন সিটি অথবা রূপগঞ্জের বালু নদী সংলগ্ন এলাকা। পশ্চিমে সাভারের বিস্তর এলাকার জাতীয় স্মৃতিসৌধ, নয়তো কাছেই মিরপুর বেড়িবাঁধ। এছাড়াও পশ্চিম-দক্ষিণে আছে কেরানীগঞ্জের প্রিয় প্রাঙ্গণ আবাসিক এলাকা, বসুন্ধরা রিভারভিউ প্রজেক্টসহ আশপাশের এলাকা। কংক্রিটের এই নগরীতে অনেকের কাছেই হয়তো কাশবন মানেই অন্যরকম এক শুভ্রতা। যে শুভ্রতা বাতাসে দোল খেয়ে আরও বেশি মন রাঙিয়ে তোলে। নীরব ও ঘুমন্ত জীবনকে জেগে ওঠারও প্রেরণা দেয়। তাইতো শান্তিময় বাতাসের ঠেউয়ে কাশবনের অপরূপ নৃত্য দেখতে প্রতিদিন এসব জায়গায় হাজারো মানুষের সমাগম হয়।
কাশবন দূর থেকেও অমায়িক সুন্দর আর কাছে আসলেও প্রাণ জুড়িয়ে যায়। অভাবনীয় এক জাদুর টান রয়েছে এই কাশবনে বা কাশফুলে।
ঢাকা ও এর আশপাশের এসব জায়গাগুলো ইতোমধ্যেই কাশের চাদরে শুভ্র সতেজ হয়ে উঠেছে। সুতরাং এমন সময়ে আকাশি রঙের শাড়ি আর হাতভর্তি রেশমি চুড়ি পরে প্রিয়া সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া চাই-ই চাই! সঙ্গে তোলা চাই অসংখ্য সুন্দর ঝকঝকে কিছু ছবি, তাই না? তাহলে আর দেরি কেনো? হারিয়ে যাওয়ার আগেও ঘুরে আসুন কাশবনে।
কাশবনে সতর্কতা
১। অবশ্যই হালকা রঙের পোশাক পরুন। কাশ ফুল কাপড়ে লেগে যায়। আপনার পোশাক গাঢ রঙের হলে কাশবনে বেড়ানো শেষে বাড়ি ফেরাটা বিব্রতকর হতে পারে।
২। গাঢ় রঙের পোশাক পরতে চাইলে বেছে নিন সিন্থেটিক কাপড়ের পোশাক। কাশ ফুল বা কাশ বনের কাটা কম আটকাবে তাহলে।
৩। কাশবনে যাওয়ার আগে আবহাওয়া দেখে যান। বৃষ্টিতে কাশ ফুল একদম নষ্ট হয়ে যায়। বৃষ্টি হওয়ার কয়েক দিন পর যান। তাহলে সতেজ ফুল দেখতে পাবেন।
ঢাকার যে কোন প্রান্ত থেকে এসব জায়গায় যাওয়া যায় অতি সহজে। এর জন্য কোন গাইডের প্রয়োজন নেই। শুধু মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করলেই চলবে। বলে দিবে কীভাবে যাবেন। অথবা সোজা গিয়ে একটা সিএনজি ড্রাইভারের কাছে গেলেও চলবে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার যে কোন প্রান্ত থেকে এসব জায়গায় যাওয়া যায় অতি সহজে। এর জন্য কোন গাইডের প্রয়োজন নেই। শুধু মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করলেই চলবে। বলে দিবে কীভাবে যাবেন। অথবা সোজা গিয়ে একটা সিএনজি ড্রাইভারের কাছে গেলেও চলবে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা সম্পাদক : স্বপন কুমার সাহা, নির্বাহী সম্পাদক: নজমূল হক সরকার।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মুন গ্রুপ, লেভেল-১৭, সানমুন স্টার টাওয়ার ৩৭ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।, ফোন: ০২-৯৫৮৪১২৪-৫, ফ্যাক্স: ৯৫৮৪১২৩
ওয়েবসাইট : www.dailybartoman.com ই-মেইল : news.bartoman@gmail.com, bartamandhaka@gmail.com
Developed & Maintainance by i2soft