সাশ্রয়ী আবাসনের জন্য জমির পরিকল্পিত ব্যবহার ও গৃহায়ন নীতিমালার গুরুত্ব
Published : Wednesday, 4 October, 2017 at 8:47 PM, Count : 138
সাশ্রয়ী আবাসনের জন্য জমির পরিকল্পিত ব্যবহার ও গৃহায়ন নীতিমালার গুরুত্বএকেএমএ হামিদ : জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রায় যে ১১টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাধ্য অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন ব্যবস্থা করা এবং মৌলিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও বস্তিসমূহের মানোন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া মানবিক আস্তানাসমূহকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, বসবাসযোগ্য এবং উত্পাদন অবকাঠমোর টেকসই স্থায়িত্বের কথা বলা হয়েছে লক্ষ্যসমূহে। মূলত এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতিসংঘের উদ্যোগে এবারে বিশ্বব্যাপী ‘গৃহায়ন নীতি: সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন’ শিরোনামে ২ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী বিশ্ব আবাসন দিবস পালিত হয়। মানুষের মৌলিক অধিকার খাদ্যের পরই নিরাপদ আবাসন গুরুত্ব পেয়েছে। পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে গণমানুষের জীবনযাত্রার বস্তুগত উন্নয়ন ও সংস্কৃতিগত উত্কর্ষ সাধনের লক্ষ্যে সব নাগরিকের জন্য মানসম্মত আবাসনের ব্যবস্থা রাষ্ট্রের অন্যতম সাংবিধানিক দায়িত্ব।
স্বল্প আয়তনের ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে পরিকল্পিত আবাসন নিশ্চিত করতে হলে গ্রাম ও শহরের মধ্য বিদ্যমান বৈষম্য হ্রাস অপরিহার্য। স্বাধীনতা পূর্ব ও পরবর্তীতে বিক্ষিপ্তভাবে নগরায়নের ফলে নগর জীবনে গণমানুষের জীবনযাত্রার বস্তুগত উন্নয়ন ও সংস্কৃতিগত উত্কর্ষ সাধন তেমন পরিলক্ষিত হয়নি। বরং নগর জীবনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আবাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠায় সময়ের পরিক্রমায় মূল্যবান ভূমি অপব্যবহার ও অপচয়ের পাশাপাশি নানাবিদ নাগরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত সড়কের অভাবে নগরে যানজটের প্রকটতা, সীমাহীন জলাবদ্ধতা, অগ্নি ও ভূমিকম্পের ন্যায় ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যথাযথ সক্ষমতার অভাব নগরে জীবনে অভিশাপে রূপ নিয়েছে। এসব ভাবনাকে সামনে রেখে জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা ১৯৯৩ পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন, সংশোধন ও সমন্বয় সাধনপূর্বক অধিকতর কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা ২০১৬ গ্রহণ করেছে। সরকারের যুগোপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে আধুনিক নগর আবাসনে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলেও এখনও ফ্ল্যাটের পরিবর্তে প্লট বরাদ্দের মাধ্যমে উচ্চ সুবিধাভোগী মানুষকে ধনী হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। যার ফলে মূল্যবান ভূমির অপচয় রোধ করা যায়নি। অন্যদিকে স্বল্প ভূমির এদেশে ভূমি ও গৃহ নির্মাণ সামগ্রীর ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসমত নাগরিক সুবিধার অপর্যাপ্ততায় মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির ক্রয় সীমার মধ্যে আবাসনের দুষ্প্রাপ্যতা গৃহায়ন ও আবাসন সমস্যাকে জটিল করে তুলছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫নং অনুচ্ছেদে দেশের সব মানুষের বাসস্থান তথা আবাসনের অধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। সেই প্রেক্ষিতে দেশের যে কোনো সরকার জনগণের এই মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অঙ্গীকার থাকাই শুধু বাঞ্ছনীয় নয় বরং অত্যাবশ্যকীয়। বিশ্বের সর্বোচ্চ ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১৩৮ জন মানুষের বসবাস, সেখানে দেশের প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিককে বাসস্থানের মৌলিক অধিকার প্রদান করা খুব সহজ কাজ নয়। স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক অতিক্রান্ত হলেও জনগণের বাসস্থানের মৌলিক অধিকারটি প্রতিষ্ঠায় তেমন উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ বা পরিকল্পনা গৃহীত না হওয়ায় সাধারণ জনগণ অব্যাহতভাবে বাসনের অধিকার থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে। এমনকি অন্যান্য অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রণালয় কিংবা আলাদা বিভাগ গঠন করে কোনো সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম গ্রহণ করছে না।
দেশের আবাদযোগ্য কৃষি জমির পরিমাণ ৮৮ লাখ হেক্টর। জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে দেশব্যাপী গ্রাম-গঞ্জে এলোপাতাড়ি বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট ইত্যাদি নির্মিত হচ্ছে এবং প্রতি বছর ১ লাখ হেক্টর আবাদি জমি হ্রাস পাচ্ছে। অব্যাহতভাবে শুধু কৃষি জমিটি সংকুচিত হচ্ছে না বরং অপরিকল্পিত ও এলোপাতাড়ি বাড়ি-ঘর, রাস্তা ইত্যাদি নির্মিত হওয়ার প্রেক্ষিতে আগামীতে যে কোনো আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়ার ক্ষেত্রেও বিশাল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। এখনই যদি জমির অপব্যবহার রোধ করে যথার্থ পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত না করা যায়, তাহলে আগামী ৫০ বছরের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশই শুধু বাড়ি-ঘরে পূর্ণ হবে, থাকবে না কোনো আবাদযোগ্য কৃষি জমি। তাই, আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই দেশব্যাপী পরিকল্পিত গ্রামীণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
দেশের সব নাগরিকের সাংবাধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও গৃহায়ন সমস্যা সমাধানে সুপরিকল্পিত জনপদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে।
দেশের সমগ্র আবাসন/ গৃহায়ন কার্যক্রমের দেখভালের জন্য শিগগিরই গৃহায়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সামগ্রিক কার্যক্রমকে ২ ভাগে বিভক্ত করে একটি অংশকে সব গ্রামীণ ও অপরটিকে শহরের আবাসন ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রদান করা।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের শহরভিত্তিক কার্যক্রম সীমিত করে (কারণ দেশের প্রায় সব শহরের উন্নয়নে একাধিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে) প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রম গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলায় বিস্তৃত করা উচিত। সেই প্রেক্ষিতে উপজেলা পর্যায়ে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপ-সহকারী প্রকৌশলী দফতর বা উপ-সহকারী স্থপতির দফতর প্রতিষ্ঠা করে এই পর্যায়ের কর্তকর্তা নিয়োগ দেয়া যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে এত জনবল একত্রে নিয়োগ দেয়া না গেলেও অর্ধেক উপজেলায় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জনবল প্রেরণ করে এবং বাকি অর্ধেক উপজেলায় বর্তমান কর্মরত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, এলজিইডি, বায়োগ্যাস, পিআইও, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের তাদের কাজের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতি অনুযায়ী গ্রামীণ গৃহায়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য সরকারি নির্দেশনা জারি করা যেতে পারে।
গ্রামীণ জনপদের সর্বত্র ঘর-বাড়ি, রাস্তা, পুকুর, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সবকিছু পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিটি থানা/ ইউনিয়নে সার্ভে করে মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা যেতে পারে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে এই কাজের জন্য প্রাইভেট সার্ভে টিম চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া যেতে পারে- যারা সরকারি নীতি নির্ধারণী গাইড লাইন অনুযায়ী মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করবে। দেশের কিছু উপজেলায় এই সার্ভে ও মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন কাজ স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিষ্ঠান তথা এলজিইডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ইত্যাদি সংস্থাকে দিয়েও করানো সম্ভব।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে দেশব্যাপী পরিকল্পিত গ্রামীণ জনপদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ‘কৃষি জমি রক্ষা কর-পরিকল্পিত গ্রাম গড়’ এই রাষ্ট্রীয় নীতির ভিত্তিতে জনমত গঠনে উদ্যোগী ভূমিকা পালনসহ গৃহনির্মাণ সুবিধা ও সুযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ রাস্তা, পানি, বিদ্যুত্, টেলিযোগাযোগ  ইত্যাদি সুবিধা প্রদানে দায়িত্ব পালন করবে। দ্বিতীয়ত গৃহ যেহেতু মানুষকে আয় রোজগারের প্রেরণা/ উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী শিল্প হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, সেহেতু এলোপাতাড়ি ঘর-বাড়ি নির্মাণে নিরুত্সাহিত করণে ও ক্লাস্টার ভিলেজ  নির্মাণে উত্সাহিত করার লক্ষ্যে সরকারের সম্পদ বিবেচনাপূর্বক স্বল্প পরিমাণ জমিতে সরকারের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ঘর বাড়ি নির্মাণে আংশিক ঋণ প্রদান করা যেতে পারে।
যত্রতত্র বাড়ি-ঘর নির্মাণ ও আবাদি জমি নষ্ট করে নতুন বাড়ি নির্মাণে নিরুত্সাহিত করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে নতুন বাড়ি নির্মাণের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সুপারিশক্রমে উপজেলা হাউসিং কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ নতুন বাড়ি নির্মাণের যৌক্তিকতা বিবেচনা করে নতুন বাড়ি নির্মাণের সুপারিশ প্রদান করবে। তবে বর্তমান বাড়ি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অনুমতি গ্রহণের প্রয়োজন হবে না।  
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত গ্রামীণ যৌথ মালিকানাধীন ক্লাস্টার ভিলেজের নকশায় বাড়ির আঙ্গিনায় বা গ্রামের কোন স্থানে কি ধরনের ফলদ, বনজ বা তরিতরকারির গাছপালা রোপণ করা যায় সে নির্দেশনাসহ অঙ্গীকার গাছপালা পরিচর্যার পরামর্শ/ নির্দেশনা প্রদান করবে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত গৃহনির্মাণ সামগ্রী এবং জনগণের চাহিদা ও পছন্দের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মাপের ঘর বাড়ি নির্মাণ নকশা (মডেল হিসেবে) প্রণয়নপূর্বক বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে সরবরাহসহ স্বল্প মূল্যে নির্মাণ কাজের জন্য যথাযথ পরামর্শ প্রদান ও তদারকি করে জনগণকে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করতে পারে। তাতে গ্রামীণ জনগণের সঙ্গে সরকারের সরাসরি গভীর ও আত্মিক যোগাযোগ সৃষ্টি হবে।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নকশা অনুযায়ী ঘরবাড়ি নির্মাণে জনসাধারণকে উত্সাহিতকরণে ঘর বাড়ি নিবন্ধন কার্যক্রম প্রচলন এবং নিবন্ধিত ঘরবাড়ি নির্মাণে স্বল্প সুদে সম্পূর্ণ বা আংশিক গৃহঋণ প্রদান করা যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে ঘর-বাড়ি নির্মাণে আবাদি জমির ব্যবহার হ্রাসকল্পে গ্রামীণ জনপদে সমবায় ভিত্তিতে অথবা পারিবারিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহুতল ভবন নির্মাণে আগ্রহীদের সরকারিভাবে ঋণ সহায়তা দিয়ে উত্সাহিত করা যেতে পারে। এতে একটি গ্রামের সব মানুষকেই ২/৩টি বহুতল ভবনে বসবাসের সুযোগ করে দেয়া সম্ভব হবে। 
প্রস্তাবিত ক্লাস্টার ভিলেজে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত নকশা অনুযায়ী ব্যক্তি মালিকানাধীন বহুতল বিশিষ্ট বাড়ি নির্মাণের সুযোগ থাকতে পারে। কোনো ব্যক্তি বর্তমান প্রয়োজনে এবং আগামীতে পরিবারের সদস্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে স্বউদ্যোগে ঊর্ধ্বমুখী নির্মাণ কাজ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। 
দেশব্যাপী জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গ্রামপর্যায়ে বিস্তৃতকরণ ও তার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পর্যালোচনান্তে স্ব-স্ব এলাকাস্থ শিক্ষক, প্রকৌশলী, স্থপতি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি (সরকারি/ বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে) নিয়ে প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে একটি করে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ‘পরিকল্পিত গ্রামীণ জনপদ উন্নয়ন কমিটি’ গঠন করা যেতে পারে।
জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই বর্তমান সরকারের আমলে ‘সবার জন্য গৃহ’ স্লোগানের আওতায় এ বছর থেকেই সুপরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যক্রমের জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মপরিধি গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত করা প্রয়োজন। তাতে সরকারের সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর হবে এবং সরকার যে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তা দৃশ্যমান হবে। 
পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থাপনাই টেকসই আবাসের পূর্বশর্ত। বিষয়টি সামনে রেখে দেশে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশেষ করে এ বিষয়ে বর্তমান জননন্দিত সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম জনসম্মুখে দৃশ্যমান করার লক্ষ্যে প্রস্তাবসমূহ সুবিবেচনায় নিলে বাংলাদেশে বিশ্ব আবাসন দিবসের কর্মসূচি সার্থক হবে।  
লেখক: সভাপতি, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ও সম্পাদক, কারিগর


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক: আলহাজ্ব মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা সম্পাদক: স্বপন কুমার সাহা।
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মুন গ্রুপ, লেভেল-১৭, সানমুন স্টার টাওয়ার ৩৭ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।, ফোন: ০২-৯৫৮৪১২৪-৫, ফ্যাক্স: ৯৫৮৪১২৩
ওয়েবসাইট : www.dailybartoman.com ই-মেইল : news.bartoman@gmail.com, bartamandhaka@gmail.com
Developed & Maintainance by i2soft